September 21, 2020, 11:31 am

কর্কশ কাক

শিখা গুহ রায় (কলকাতা, ভারত) যতদূর দেখা যায়তারও দূরে একাকিত্বআর আমার ছায়া!ঘুমিয়ে গেছে মানুষের মানুষ্যত্ব ,কলির বৈরী বাতাসেদিশাহীন আজ আদর্শের ভেলা।খালি কলসির টুং টাংএকটু বেশিই শব্দ করেতাইতো পানিপেটের সবুজপাতাগুলো নুয়ে পড়ছে আজ ঘৃণায়।বহুদিন হয় বটগাছটার কাছেশুয়ে দেখা হয়নিদেখা হয়নি দুর্ভিক্ষের পরকাউকে সাহায্য করতে।একজন ঠিকিসাদা পাঞ্জাবিতে দাগ লাগার ভয়েস্রোতে গা ভাসিয়ে ছিলোআর তার নাম রেখে গেছে বিস্তারিত

পাপিয়া

পল্লব বিশ্বাস কাক প্রভাতের পূর্বক্ষণে শয়নে আছি নিদ্রায় নয় জাগিয়া,এশার’র আযান শুনি দূর মসজিদে,নয় নয় এ আযান নয়,এত শোকের ধ্বনি, আসিয়াছে প্রভাতে কাঁলো আঁধার করিয়া। হুজুর বলিয়া চিল্লায়, আসিতেছে ভাসিয়া ধ্বনি,নয়া বাড়ির খোরশেদ কাকার কন্যা পাপিয়া নাকি,ত্যাগ করিয়াছে ইহলোকের মাটি। সংবাদ শুনে আমি বিশ্বাসের হাত দিছি ছাড়িয়া,ভুল শুনিয়াছি, নিদ্রায় আমি নয় জাগিয়া। সেও ছিল এবার বিস্তারিত

বর্ষারানীর অভিসার

লিপিকা দত্ত সরকার (ভারত) অভিসারে চলে বর্ষারানীমেঘের চাদর জড়িয়ে,বৃষ্টি বলছে এসো ত্বরাদিয়েছি হাত বাড়িয়ে।শুষ্ক মাটি ডাকছে তোমায়তোমার স্পর্শ চায়,ব্যাঙেরা বলছে ব্যাকুল হয়েগান শোনাবো আয়।গাছ গাছালি গা ভিজাবেপ্রতীক্ষায় আছে তারা,সূর্য দিয়েছে ছুটির নোটিশকাজ হয়েছে সারা।মাছেরা সোহাগে প্রেমে ভাসবেতুমি যখন ঝরবে,নিজ অঙ্গজ সৃষ্টি করতেডিমগুলি তারা পাড়বে।কদম কেয়া সাজাবে তোমায়বুকে জড়িয়ে ধরে,চাতক ডানা মেলবে আকাশেজল পান করে।নদী আবেগে বিস্তারিত

ঝান্ডা

— দুর্গা বেরা (কলকাতা-ভারত) মন্দিরের চুড়ায় ধর্মস্থানের সূচক হিসাবে,হিমালয়-পর্বতের উপরআরোহীর জয়ের নিশানা হিসাবে,রাজনৈতিক-দলের প্রতিক হিসাবে,ভিন্ন ভিন্ন দলের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য হিসাবে,মিটিং-মিছিলে- “ঝান্ডা” আলাদা মাত্রা পায়।এটি, একটি দন্ড বা লাঠির উপর অবস্থান করে।বারান্দায় বসে পড়াচ্ছিলাম কমলার মেয়েকে।ঝাড়ু রেখে কমলা বলল —ওসব ভাষণ দিয়ে কাজ নেই বৌদিমনি,আমাদের ওসব জানা।প্রথমটা হলো–আমার কাছে ঝান্ডা মানে, “ভাত”।ঝান্ডা নিয়ে লাইনে হাঁটলে বিস্তারিত

চেতনায় বঙ্গবন্ধু

গীতা রায় বাঁজল ঘন্টা, বাঁজল বাঁশিমুক্ত করিল দেশ,দৃঢ় প্রত্যয় মনে তোমারগুণের নেইকো শেষ।মুছে গেল আঁধার,মুছে গেল কালো,জাগিয়া উঠিল জাতি,বাংলা মায়ের বাংলা ভাষাস্বপ্ন সুখের হাসি।কেউ ভুলেনি, কেউ ভুলেনিশেখ মুজিবের কথা,দেশটা নিয়ে নেই এখন আরকারো মাথা ব্যাথা।কন্ঠে তোমার অসীম শক্তি,মুষ্টিবদ্ধ হাত,বিদায় হলো বাংলা মায়েরহৃদয়ের আর্তনাদ।ব্রিটিশকে বুঝিয়ে দিলেতুমি – বাংলার বীর সন্তান,তুমি দুর্গম, তুমি বাস্তবতায়বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিস্তারিত

শূন্য পথের শেষ যাত্রী

শিখা গুহ রায় (কলকাতা-ভারত) স্মৃতি গুলো বালুকণার স্পর্শেঅন্ধকারে শূন্য হৃদয়অতল গহীনে ডুবে যায়।বুকের ভেতর ভেদ করেএক অন্তরভেদী করুন ভালোবাসা,চলি পূর্ণ প্রহর গোনা রাত্রির শূন্য পথেমনে হয় শেষ যাত্রী আমিই ।নিরবতা সারাক্ষণ খুঁজে ফেরেঅনুরাগে, অনুভবের উদাসীন অন্তরে,বেদনা করুন আর্তনাদ হৃদয়েভেসে ওঠে এক ভয়ার্ত প্রতিচ্ছবি।হারিয়ে যেতে থাকে সেই মুহূর্তগুলোকখনো আর ফিরে আসেনাশুধু অতীতের মৃত্যুপথযাত্রী …।নিজের কাছেই তখন বিস্তারিত

আপোষহীন জাতির পিতা

মৃণাল চৌধুরী সৈকত (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বরণে) হে জাতির পিতা-ইয়াহিয়া থেকে গোলাম আযমদেরহত্যা-নির্যাতন-জেল-জুলুমআর অভিনব অত্যাচারেরএক ভয়ংকর প্রতিবাদ ছিলে তুমি।গনমঞ্চে তোমার আগমনমুর্হূমুর্হূ করতালি আররিভলভিং চেয়ারের পা গুলোঠকঠক করে কেঁপে উঠেস্বাগত জানাতো তোমাকে।তোমার আপোষহীন দুঃসাহসী নেতৃত্বদেশ ও বর্ণহীন বাঙ্গালী জাতিরস্বাধীনতা অর্জন।উনসত্তর থেকে একাত্তর স্বাধীনতা উত্তররক্ত পিপাষু পাকিস্থানীদের সাথেবাঙ্গালীর যুদ্ধ-ই আমাদের অহংকার।অতপরঃ একাত্তরে ত্রিশ লক্ষ বিস্তারিত

ছাগল যখন ন্যায়বিচার !

জনতার বাংলা ডেস্ক ভারতের রাজস্থানের উদয়পুর থেকে সম্প্রতি সামনে এসেছে এক অদ্ভূত ঘটনার কথা। যা কিনা ঘুরছে ওই এলাকার লোকের মুখে মুখে। ছাগলের মালিকানা দাবি করে দুই ব্যক্তি হাজির হয়। পুলিশ ও গ্রামের সরপঞ্চ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ছাগলই ন্যায়বিচার করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে উদয়পুরের বল্লভনগর তহসিলের খেরোদা বিস্তারিত

আমার স্মৃতিমাখা হৃদকমল ভাসায় চোখের কোণ — ৯

দুর্গা বেরা (কোলকাতা, ভারত) বাংলাদেশ, ঢাকা সংলগ্ন সাতারকুল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে প্রতিবাদী কবি জাইদুলভাই একরকম জোর করে এবং অবশ্যই ভালবেসে নিয়ে গেলেন তার নিজের বাড়িতে(বাসা)।  ওখানে আবার খাওয়াতে পীড়পিড়ি। তাই চা নাস্তা আবার খেলাম। ওনার  সম্পাদনা করা – “স্বাধীনতার বাঁশিওয়ালা”, বইটি আমাকে উপহার দিলেন। যেখানে রয়েছে বিভিন্ন কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী ও কবিতা এবং রয়েছে বিস্তারিত

দেহতরী

মৃণাল চৌধুরী সৈকত আমি যার লাগিয়া বান্দিলাম-ওরেপিরিতে’র দালান ঘরসেই ঘরে আজ বাস করে-হায়হাজার পোকা মাঁকড় ।আমি হইলাম যে আজ পরআমার নাইরে বাড়িঘর-আমি যার লাগিয়া বান্দিলাম-ওরেপিরিতে’র দালান ঘর ॥শুন্য আমার দেহের খাঁচা-ওরেপূণ্যের নাই বিচার,পূর্ণ পাপে বাসাইলাম নাও-হায়রেনাই ঠিকানা আর ।পাপ পূর্ণ্যের বিচার বিহীন-আমারদেহ হইল সার-শুন্য আমার দেহের খাঁচা-ওরেপূণ্যের নাই বিচার ॥মন পিঞ্জিরার ময়না পাখি-যখনযায়রে আমার ছাড়িহৃদ বিস্তারিত



© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com